চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলাধীন মেঘনা নদীর তলদেশে বালু উত্তোলনের কারনে মেঘনা ধনাগোদা বেড়িবাঁধ যেকোনো সময়ে ভেঙ্গে যেতে পারে।

  1. চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলাধীন মেঘনা নদীর তলদেশে বালু উত্তোলনের কারনে মেঘনা ধনাগোদা বেড়িবাঁধ যেকোনো সময়ে ভেঙ্গে যেতে পারে।

এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কথা ভেবে ভূমিমন্ত্রী ও চাঁদপুর জেলা প্রশাসন বরাবর স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ নুরুল আমিন রুহুল গত মার্চ মাসে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে ডিও লেটার দেন এবং গত মে মাসে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট মতলবের আমিনুল এহসানের করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে নির্দেশনা জারি করেন।

কিন্তু আদালতের নির্দেশ অমান্যকরে কিছু প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে সিন্ডিকেট নদীতে বালু উত্তোলনের পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে স্থানীয় বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, বিভিন্ন সময়ে এলাকার প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গত ১/১১ এর পর থেকে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত একটানা ১০ বছর মেঘনা নদীর দশানী থেকে শুরু করে এখলাছপুর পর্যন্ত রাতের আঁধারে অবৈধ পন্থায় বালি উত্তোলনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

এর মধ্যে অনেকেই শূন্য থেকে কোটিপতি বনে যান।
বালি উত্তোলনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ইনকাম করে।

এদিকে এক অশিক্ষিত লোকের বালি উত্তোলনের অবৈধ টাকার জোরে এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি ক্ষমতার প্রভাবে আশেপাশের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ক্ষমতা ধর ব্যক্তিদের যোগসাজশে।

এলাকায় ঘুরে সরেজমিনে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পড় লেখা থেকে কিছু লোক গা-ঢাকা দেয়। কিন্তু এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে এই সংঘবদ্ধ চক্রটি আবারো নদীতে বালি উত্তোলনের অবৈধভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে।
এমনো অভিযোগ রয়েছে, তাদের সময়ে বালি উত্তোলনকালে দশানী এলাকায় জৈনক রাসেল নামে এক যুবককে প্রভাবশালী এক লোক পিঠিয়ে মেরে নদীতে ফেলে দেয়।
অধ্যবধি নিহত রাসেলের এর বিচার পাই নাই তার পরিবার বরং প্রভাবশালী লোক এর ভয়ে তটস্থ থাকতো রাসেলের পরিবার।

এতো কিছুর পররেও তারা থেমে নেই, যেকোনো মূল্যে নদীতে বালি উত্তোলন করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে।

তবে স্থানীয় গ্রামবাসীদের জোরালো বিরোধিতা করার কারনে বালি উত্তোলন করতে পারছে না।
তবে তারা যেকোনো মূল্যে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

তাদের ষড়যন্ত্র থেমে নাই। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রতিনিয়তই সেই কুচক্রী মহল টি প্রতিনিয়ত ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় বালু উত্তোলনের জন্য দফায় দফায় শলাপরামর্শ করে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়।

এ বিষয়ে চরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মানুষ বলেন, ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত এই সিন্ডিকেট ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ বছর অনবরত বালি উত্তোলন করেছে। বালি উত্তোলন বন্ধ করতে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বালু উত্তোলনের গোপন ষড়যন্ত্র করেছেন উল্লিখিত সুবিধাবাদী লোকজন। আমরা সাধারণ মানুষ এটা জীবন দিয়ে হলেও প্রতিহত করব।

বালু উত্তোলনের বিষয়ে মতলব উত্তরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে জানা যায় যে, বিগত সময়ে যারা বালু উত্তোলন করেছিল এবং তা থেকে বিরত আছে এ চক্রটি যদি আবারও বালু উত্তোলনের চেষ্টা করে তাহলে মতলব উত্তরে যেকোনো সময়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষসহ বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় ।

এছাড়াও বালু উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধ না হলে দেশের বৃহত্তম মেঘনা-ধনাগোদা বেড়িবাঁধ ও সরকারের প্রক্রিয়াধীন অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে। এলাকার সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উক্ত চক্রটির নেতৃত্বাধীন নেতৃত্বাধীন এই চক্রের অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের চেষ্টা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসী আরো জানান, তাদের আর্থিক সহায়তাকারী বিভিন্ন লোক শান্তি প্রিয় মতলবকে আশান্তি করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। আমরাও প্রস্তুত তাদের শক্ত হাতে মোকাবেলা করার জন্য।
এ প্রসঙ্গে চক্রান্তকারীদের সাথে তাহার ব্যাক্তিগত একাধীকবার ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।