গত ০৭ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯ তারিখে উদযাপিত হল “ছায়ানীড়” এর ২য় বর্ষপূর্তি

গত ০৭ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯ তারিখে উদযাপিত হল “ছায়ানীড়” এর ২য় বর্ষপূর্তি। এ লক্ষে নগরীর এয়ারপোর্ট সংলগ্ন রেল স্টেশনে পথশিশুদের নিয়ে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন করা হয়। কেক কাটা শেষে স্টেশনে থাকা অসহায় দুস্থ শিশু/কিশোর/বৃদ্ধাদের মাঝে রাতের খাবার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও আহাদ নামের এক পথশিশু কে নতুন জামা-কাপড় কিনে দিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন “ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশ” এর সম্মানিত পিচ এম্বাসেডর
“জনাব মোঃপারভেজ হাসান” ও উত্তরা জোন র‍্যাবের সম্মানিত এস আই “মোঃ আরিফ হোসেন”
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন “ছায়ানীড়” এর প্রতিষ্ঠাকালীন উপদেষ্টা জনাব মোঃইমরান কবির,জনাব মোঃআজিজুল হাই পিয়াস, জনাব মোঃমশিউর মনি, জনাব মোঃশামীম হোসাইন জনাব মোঃইসতিয়াক হোসাইন আকাশ, জনাব মোঃ মেহেদী হাসান শান্ত প্রমুখ।

উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালের ৭ই ফেব্রুয়ারি “ছায়ানীড়” প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। এ সংগঠন টি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও সেবামূলক সংগঠন। যার মূল উদ্দেশ্য সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফুটানো।একদল যুবক-যুবতী মিলে তাদের আয়ের সামান্য কিছু অর্থ দিয়ে মূলত এ সংগঠন টি পরিচালনা করে আসছেন। এবং গত দুই বছর যাবত তারা ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু কার্যক্রম করেছেন। তারমধ্যে রমজান মাসে বৃদ্ধাশ্রমে সহায়তা, ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী কে সহায়তা করা, হার্টের সমস্যায় ভুক্তভোগী এক শিশুর জন্য সহায়তা প্রদান,টেকনাফ থেকে আগত রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা প্রদান, অগ্নিদগ্ধ শিশু কে সহায়তা প্রদান, পথশিশুদের মাঝে বই-খাতা,কলম-পেন্সিল ইত্যাদি বিতরণ সহ বিভিন্ন ভাবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সহায়তা করা উল্লেখযোগ্য।

২০১৭ সালে কিছু কর্মজীবী ছেলে/ মেয়েদের এবং অন্যান্য লোকদের উদ্যোগেরমাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় এই সংগঠনটি।

এই সংগঠন টির একমাত্র মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানো অসহায় মানুষের সেবা যত্ন করা অনাহারীর মুখে খাবার তুলে দেওয়া,যে

এই কর্মজিবি মানুষগুলো তাদের প্রতি মাসে ইনকাম থেকে কিছু কিছু টাকা জমিয়ে সেই টাকা অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেয় এবং তাদেরকে বিভিন্ন রকম আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে।

২০১৭ সালে যখন এই প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধন করা হয় তখন এই প্রতিষ্ঠান সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ২০থেকে ২২ জন কিন্তু বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪০০থেকে  ৫০০  এর বেশি ছাড়িয়ে গেছে।

এই প্রতিষ্ঠানটিতে যারা জড়িত আছে এমন নয় কেউ খুবই ধনী পরিবারের ছেলে সন্তান তারাও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সন্তান তারা এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গরীব অসহায় দুঃখী মানুষের কষ্ট গুলো ভাগ করে নিতে চায় তাই সমাজের বিত্তবানদের পপ্র তাদের আবেদন তারা যদি তাদের এই কর্মকান্ডের দিকে এগিয়ে আসেন তাহলে তাদের এই প্রতিষ্ঠানটি আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

এই প্রতিষ্ঠান কারো নেই কোন অতিরিক্ত লোভ নেই কোন অতিরিক্ত লালসা তাদের একটাই চাওয়া তারা যেন মানব সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দিতে পারে ।

ধীরে ধীরে এই সংগঠনটি আরো বড় হতে চলেছে এবং আস্তে আস্তে বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ এই সংগঠনের সাথে নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছে।

 

সর্বশেষ তারা সকলের প্রতি সাহায্য সহযোগিতা এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি তাদের নেই মহান উদ্যোগ যাতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এর জন্য সাহায্য চেয়েছেন চেয়ে ।

আমাদের সাথে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন

এই সংগঠনটি এগিয়ে নেওয়ার জন্য এবং সংগঠনটি গড়ে তোলার জন্য বেসরকারি একটি মোবাইল কোম্পানির কিছু বিক্রয়কর্মী সর্ব প্রথম উদ্যোগটি নিয়েছিল।

 

প্রকাশক তানজির আহম্মেদ সানি তপদার

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।