ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২১শে আগষ্ট এর গ্রেনেড হামলার ঘটনা এখন ও ভুলতে পারেন নাই এইচ এম মাসুদ দুলাল

২১শে আগষ্ট এর গ্রেনেড হামলার ঘটনা এখন ও ভুলতে পারেন নাই এইচ এম মাসুদ দুলাল

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী’ সমাবেশে ট্রাকের ওপর বানানো মঞ্চে বক্তৃতা করছিলেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে তিনি বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে এগিয়ে গেলেন মঞ্চের সিঁড়ির দিকে। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক গ্রেনেড হামলা করা হয়।

সে সময় ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত এবং অপর ৫০০ জন আহত হয়েছে। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ওই হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেও তার শ্রবন শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নেত্রীর ঠিক সামনেই দাড়িয়ে ছিল নারায়নগন্জ—৩ আসনের গর্ব,সোনারগাঁয়ের কৃতী সন্তান অকুতোভয় ছাত্রনেতা এ এইচ এম মাসুদ দুলাল। আল্লাহের অশেষ রহমতে প্রাণে বেঁচে যান,কিন্তু ঐ নরপিচাশ দের স্প্রিন্টার এখনো শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছেন। আহত হবার পর প্রাণের নেত্রীর আর্থিক সহায়তা তিনি পেয়েছেন। নেত্রীর নির্দেশে করা আহত নেতাদের তালিকা বইয়েও ১৬৮ নম্বরে তার নাম লিখা আছে।

হিমশীতল মৃত্যুর স্পর্শ থেকে বেঁচে যাওয়া দুলাল এখনো বিশ্বাসই করতে পারেন না আসলে তিনি জীবিত আছেন কি না। মৃত্যুর এত কাছাকাছি গিয়ে আবার ফিরে আসায় হয়তো তিনি নতুন জীবন পেয়েছেন।

কিন্তু যত দিন তিনি বেঁচে থাকবেন তত দিন ওনার বহন করে যেতে হবে সেই দুঃস্বপ্নের মতো তাড়িয়ে বেড়ানো স্মৃতিকে, হঠাৎ করে গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়ার সেই ঘটনাকে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁও ক্যাপিটাল স্কুল এন্ড কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ

২১শে আগষ্ট এর গ্রেনেড হামলার ঘটনা এখন ও ভুলতে পারেন নাই এইচ এম মাসুদ দুলাল

Update Time : ০৪:১৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯

২১শে আগষ্ট এর গ্রেনেড হামলার ঘটনা এখন ও ভুলতে পারেন নাই এইচ এম মাসুদ দুলাল

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী’ সমাবেশে ট্রাকের ওপর বানানো মঞ্চে বক্তৃতা করছিলেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে তিনি বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে এগিয়ে গেলেন মঞ্চের সিঁড়ির দিকে। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক গ্রেনেড হামলা করা হয়।

সে সময় ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত এবং অপর ৫০০ জন আহত হয়েছে। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ওই হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেও তার শ্রবন শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নেত্রীর ঠিক সামনেই দাড়িয়ে ছিল নারায়নগন্জ—৩ আসনের গর্ব,সোনারগাঁয়ের কৃতী সন্তান অকুতোভয় ছাত্রনেতা এ এইচ এম মাসুদ দুলাল। আল্লাহের অশেষ রহমতে প্রাণে বেঁচে যান,কিন্তু ঐ নরপিচাশ দের স্প্রিন্টার এখনো শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছেন। আহত হবার পর প্রাণের নেত্রীর আর্থিক সহায়তা তিনি পেয়েছেন। নেত্রীর নির্দেশে করা আহত নেতাদের তালিকা বইয়েও ১৬৮ নম্বরে তার নাম লিখা আছে।

হিমশীতল মৃত্যুর স্পর্শ থেকে বেঁচে যাওয়া দুলাল এখনো বিশ্বাসই করতে পারেন না আসলে তিনি জীবিত আছেন কি না। মৃত্যুর এত কাছাকাছি গিয়ে আবার ফিরে আসায় হয়তো তিনি নতুন জীবন পেয়েছেন।

কিন্তু যত দিন তিনি বেঁচে থাকবেন তত দিন ওনার বহন করে যেতে হবে সেই দুঃস্বপ্নের মতো তাড়িয়ে বেড়ানো স্মৃতিকে, হঠাৎ করে গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়ার সেই ঘটনাকে।