ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আড়াই মাস পর সোনাহাট স্থলবন্দরে আমাদানি-রপ্তানি শুরু

রয়েল হাসান
বিভাগীয় প্রতিনিধি,রংপুর:

দীর্ঘ আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর কুড়িগ্রামে সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কাজ।

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে এ বছরের ২৫শে মার্চ ভারতের ধুবরী জেলা লকডাউন করা হলে এ বন্দর দিয়ে সকল প্রকার পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যাবসায়ীরাও ওই দিন থেকে বন্দরের সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

পরবর্তীতে করোনা সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব মানার পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও স্প্রেসহ বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে দু’দেশের ব্যাবসায়ীরা আজ ১৩ই জুন (শনিবার) থেকে এ বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কাজ শুরু করে।

সোনাহাট বন্দর সিন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি সরকার রকিব আহমেদ জুয়েল জানান, সম্পুর্ণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে আমরা পণ্য আনা নেয়ার কাজ চালু রাখবো। শ্রমিকদের সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। সেই সাথে ভারতীয় গাড়ি চালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলে যাতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলেন সেদিকেও নজর রাখবো।

উল্লেখ্য, এ বন্দর দিয়ে পাথর ও কয়লা আমদানি করেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে প্লাষ্টিক সামগ্রী, গার্মেন্টস ঝুট, নেট ও পামওয়েল আমদানি করেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা।

Tag :

সোনারগাঁও ক্যাপিটাল স্কুল এন্ড কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ

আড়াই মাস পর সোনাহাট স্থলবন্দরে আমাদানি-রপ্তানি শুরু

Update Time : ০৩:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

রয়েল হাসান
বিভাগীয় প্রতিনিধি,রংপুর:

দীর্ঘ আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর কুড়িগ্রামে সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কাজ।

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে এ বছরের ২৫শে মার্চ ভারতের ধুবরী জেলা লকডাউন করা হলে এ বন্দর দিয়ে সকল প্রকার পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যাবসায়ীরাও ওই দিন থেকে বন্দরের সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

পরবর্তীতে করোনা সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব মানার পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও স্প্রেসহ বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে দু’দেশের ব্যাবসায়ীরা আজ ১৩ই জুন (শনিবার) থেকে এ বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কাজ শুরু করে।

সোনাহাট বন্দর সিন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি সরকার রকিব আহমেদ জুয়েল জানান, সম্পুর্ণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে আমরা পণ্য আনা নেয়ার কাজ চালু রাখবো। শ্রমিকদের সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। সেই সাথে ভারতীয় গাড়ি চালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলে যাতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলেন সেদিকেও নজর রাখবো।

উল্লেখ্য, এ বন্দর দিয়ে পাথর ও কয়লা আমদানি করেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে প্লাষ্টিক সামগ্রী, গার্মেন্টস ঝুট, নেট ও পামওয়েল আমদানি করেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা।