ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাক্তার নিয়োগে বৈষম্য

সাইমুন নিয়াত, শরনখোলা(বাগেরহাট)
প্রতিনিধি।
বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার নিয়োগে দীর্ঘদিন ধরে চরম বৈষ্যম্যের শিকার হচ্ছে। জেলার ৯ উপজেলার মধ্যে আটটিতেই ১১ জনের অধিক সংখ্যক ডাক্তার নিয়োগ থাকলেও শরণখোলা উপজেলায় মাত্র পাঁচ জন। এর মধ্যে থেকে ৩ জুন একজনকে খুলনায় বদলী করা হয়েছে।

অথচ শরণখোলায় মাত্র পাঁচজন ডাক্তার কর্মরত আছেন। এই পাঁচজনের মধ্যে থেকে আবার করোনার কারণে দুইজনকে রিজার্ভ রাখতে হয়। গত তিন দিন ধরে একজন শারীরিকভাবে অসুস্থ। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকেন। বর্তমানে করোনাভাইরাস আক্রান্তের দিক থেকে জেলার মধ্যে শরণখোলা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় এলাকাবাসী চিকিৎসা সেবা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।

এদিকে জানা গেছে, বর্তমানে বাগেরহাট জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে ফকিরহাটে ১৭ জন, মোল্লাহাটে ১১ জন, চিতলমারিতে ১২ জন, রামপালে ১২ জন, মোংলায় ১২ জন, বাগেরহাট সদরে ২২ জন, কচুয়ায় ১৩ জন, মোরেলগঞ্জে ১২ জন ডাক্তার নিয়োগ রয়েছে।অথচ শরণখোলায় মাত্র পাঁচজন ডাক্তার কর্মরত আছেন। এই পাঁচজনের মধ্যে থেকে আবার করেনার কারণে দুইজনকে রিজার্ভ রাখতে হয়। গত তিন দিন ধরে একজন শারীরিকভাবে অসুস্থ।

Tag :

সোনারগাঁও ক্যাপিটাল স্কুল এন্ড কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ

ডাক্তার নিয়োগে বৈষম্য

Update Time : ০৩:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

সাইমুন নিয়াত, শরনখোলা(বাগেরহাট)
প্রতিনিধি।
বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার নিয়োগে দীর্ঘদিন ধরে চরম বৈষ্যম্যের শিকার হচ্ছে। জেলার ৯ উপজেলার মধ্যে আটটিতেই ১১ জনের অধিক সংখ্যক ডাক্তার নিয়োগ থাকলেও শরণখোলা উপজেলায় মাত্র পাঁচ জন। এর মধ্যে থেকে ৩ জুন একজনকে খুলনায় বদলী করা হয়েছে।

অথচ শরণখোলায় মাত্র পাঁচজন ডাক্তার কর্মরত আছেন। এই পাঁচজনের মধ্যে থেকে আবার করোনার কারণে দুইজনকে রিজার্ভ রাখতে হয়। গত তিন দিন ধরে একজন শারীরিকভাবে অসুস্থ। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকেন। বর্তমানে করোনাভাইরাস আক্রান্তের দিক থেকে জেলার মধ্যে শরণখোলা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় এলাকাবাসী চিকিৎসা সেবা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।

এদিকে জানা গেছে, বর্তমানে বাগেরহাট জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে ফকিরহাটে ১৭ জন, মোল্লাহাটে ১১ জন, চিতলমারিতে ১২ জন, রামপালে ১২ জন, মোংলায় ১২ জন, বাগেরহাট সদরে ২২ জন, কচুয়ায় ১৩ জন, মোরেলগঞ্জে ১২ জন ডাক্তার নিয়োগ রয়েছে।অথচ শরণখোলায় মাত্র পাঁচজন ডাক্তার কর্মরত আছেন। এই পাঁচজনের মধ্যে থেকে আবার করেনার কারণে দুইজনকে রিজার্ভ রাখতে হয়। গত তিন দিন ধরে একজন শারীরিকভাবে অসুস্থ।