ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লকডাউন ৩০ মে পর্যন্ত বাড়লো, চলবে দূরপাল্লার বাস-ট্রেন-লঞ্চ

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের দেয়া বিধিনিষেধ সিথিল করা হয়েছে। চলমান এ বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২৪ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত। তবে এবার বিধিনিষেধের মধ্যেও চলবে আন্তঃজেলা ট্রেন, লঞ্চ ও বাস।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপণে জানানো হয়, আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। আগামীকাল থেকে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলবে আন্ত:জেলা বাস, ট্রেন ও লঞ্চ। তবে সেক্ষেত্রে জনগণকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সেই সঙ্গে হোটেলে বসে খাওয়া যাবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া শুভেচ্ছা ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, মানুষের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়ায়। কাজেই জনসমাগম এড়াতে না পারলে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। এ কারণে কষ্ট হবে জেনেও আমরা বাধ্য হয়েছি মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের উপর বিধি-নিষেধ আরোপ করতে।

সব ধরণের গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিলেও মানতে হবে সরকারের দেয়া নির্দেশনা। গণপরিবহনগুলোয় অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি দেয়া হলেও যাত্রীদের মানতে হবে নির্দেশনা।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তঃজেলাসহ সব ধরনের গণপরিবহন আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে অবশ্যই যাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরিধানসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। তখন থেকেই দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ ও ট্রেন বন্ধ আছে।

Tag :

সোনারগাঁও ক্যাপিটাল স্কুল এন্ড কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ

লকডাউন ৩০ মে পর্যন্ত বাড়লো, চলবে দূরপাল্লার বাস-ট্রেন-লঞ্চ

Update Time : ০১:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মে ২০২১

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের দেয়া বিধিনিষেধ সিথিল করা হয়েছে। চলমান এ বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২৪ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত। তবে এবার বিধিনিষেধের মধ্যেও চলবে আন্তঃজেলা ট্রেন, লঞ্চ ও বাস।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপণে জানানো হয়, আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। আগামীকাল থেকে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলবে আন্ত:জেলা বাস, ট্রেন ও লঞ্চ। তবে সেক্ষেত্রে জনগণকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সেই সঙ্গে হোটেলে বসে খাওয়া যাবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া শুভেচ্ছা ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, মানুষের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়ায়। কাজেই জনসমাগম এড়াতে না পারলে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। এ কারণে কষ্ট হবে জেনেও আমরা বাধ্য হয়েছি মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের উপর বিধি-নিষেধ আরোপ করতে।

সব ধরণের গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিলেও মানতে হবে সরকারের দেয়া নির্দেশনা। গণপরিবহনগুলোয় অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি দেয়া হলেও যাত্রীদের মানতে হবে নির্দেশনা।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তঃজেলাসহ সব ধরনের গণপরিবহন আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে অবশ্যই যাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরিধানসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। তখন থেকেই দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ ও ট্রেন বন্ধ আছে।